শিরোনাম

ডাঃ ইশাত-ই-রব্বান-বিডিএস, এফসিপিএস (ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জন) মতামতঃ কিছুদিন আগে দৈনিক মানবজমিন এর একটা রিপোর্ট আমার টাইমলাইনে লিংক দিয়েছিলাম। সেখানে খুব স্পষ্টত বলা হয়েছে এদেশের বড় বড় শহর গুলোতে ডিভোর্স এর হার ভয়াবহ রকম ভাবে বাড়ছে। কিন্তু যে বিষয়টা আরো ভয়ংকর তা হচ্ছে যতগুলো ডিভোর্স এর আবেদন আসছে তার ৭০%-ই নারীর পক্ষ থেকে। ভাবনার বিষয়টা সেখানেই। সেটা ৫০/৫০ অথবা ৬০/৪০ হতে পারতো কিন্তু ৭০/৩০ কেন? এটা সমাজের জন্য একটা ডেঞ্জারাস মেসেজ! একটি সমাজ সব মিলিয়ে কতটা স্থিতিশীল তার কতগুলো প্যারামিটার বা সূচক থাকে। তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হচ্ছে, বাৎসরিক বিবাহবিচ্ছেদের হার। এই সূচকের হটাৎ কেন এতো উত্থান পতন এটা নিয়ে সমাজপতিদের কোন মাথাব্যথা নেই? আমাদের সমাজের ভন্ড সমাজপতিদের মাথাব্যথা অন্যখানে! কিছু কিছু সমাজবিজ্ঞানি অবশ্য বিষয়টা নিয়ে গবেষণা করছেন এবং যুক্তিসংগত কিছু সাম্ভাব্য কারণও বের করেছেন। কিন্তু একটা বিষয় তারা এড়িয়ে যাচ্ছেন নাকি এড়িয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন সেটা আমার ছোট মাথায় ঢুকছেনা। তা হলো মিডিয়া নিয়ে কেন কেউ কিছু বলছেন না? আমার মনে হয় মিডিয়াই এ বিষয়গুলোকে হাইড করে যাচ্ছে। মিডিয়া সমাজকে বিবাহবহির্ভূত সম্পরকে উস্কানি দিচ্ছে, নারী অধিকারের নামে নারীকে অস্থির করে তুলছে। মিডিয়া ব্যবসার জন্য নারীকে উদম গতরে নাচাচ্ছে, যে যত উদম গতরে ক্যামেরার সামনে আসছে তাকে তত সাহসী বলা হচ্ছে, কিছু লম্পট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সেটা দেখে আবার বাহাবা দিচ্ছে তালিয়া বাজাচ্ছে। আমার আপনার কী দোষ বলুন! মানুষ যা দেখবে সেটাই তো শিখবে! বিবাহ বিচ্ছেদের অন্যতম কারন যদি মানসিক অস্থিরতা আর পারস্পারিক আস্থাহীনতা হয় তবে আমি বিশ্বাস করি এসবের প্রধানতম কারন মিডিয়ার অপার স্বাধীনতা। অন্যদিকে বিশ্বায়নের হকাররা নিজেদের প্রয়োজনে মিডিয়াকে বিশ্ববাসীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণে পরিনত করেছে। এই সুযোগে মিডিয়া এবং মিডিয়া কর্মীরা তাদের নোংরা ফিলোসফি সাধারণ মানুষকে জোর করে গেলাচ্ছে। একটু খেয়াল করে বলুনতো মিডিয়া কর্মীদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের হার তুলনামূলক বেশি কিনা! থাক এর চেয়ে বেশি বললে কেউ কেউ আমাকে সংকীর্ণমনা বলবেন। বলবেন আমার মানসিক বিকাশ ঠিক মত হয়নি। তাই অতিরিক্ত নারীবাদীদের গালি খাওয়ার চাইতে আমার মনে হয় এখানেই শেষ করা উচিত। একটা কথা না বলে পারছিনা, নারীবাদীরাই সেইসব মুখোশধারী শয়তান যারা নারীবাদকে পূজি করে পূজিবাদীদের পূজিবাদে সহায়তা করছেন। হে নারী, উদম গতরে নাচিয়ে তোমাকে দু চার পয়সা দিয়ে পূজিবাদীরা কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। নারীবাদের তকমা পূজিবাদের- ই সৃষ্টি। পূজিবাদীরাই নারীবাদের দালাল। ডেন্টাল ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জনঃ এপেক্স ডেন্টাল, সোনার মোড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ