শিরোনাম

রোববার বেলা ২টা। ভৈরবের দরশন সিনেমা হলের সামনে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে দর্শক। কড়া রোদের তাপে আর দর্শকদের ভিড়েও টিকিট কেটে ছবি দেখতে আসছেন সবাই। গত ১৬ জুন ঈদ উপলক্ষে সারাদেশে মুক্তি পেয়েছে শাকিব-বুবলী অভিনীত 'সুপার হিরো' ছবিটি। বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা আর ঈদ উৎসবে মেতে আছেন সবাই। সিনেমা প্রেমীরা ছুটে চলছেন সিনেমা দেখতে। ছবি শুরুর কয়েক মিনিট বাদেই শাকিব খানের এন্ট্রি আর সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের শিস আর করতালি দিয়ে জানান দিচ্ছে তাদের ভালো লাগার। দুপুরের শো টা হাউসফুল ছিল। দর্শকদের বসার জায়গা না থাকায় পরে সামনের দিকে বেঞ্চের ব্যবস্থা করে বাকিদের বসানো হয়। পর্দায় শাকিবের উপস্থিতি মানেই দর্শকদের শিস আর করতালি। রোমান্টিক ও অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতে দর্শকরা বেশ উচ্ছ্বসিত ও আনন্দিত। তবে প্রথমদিকে ছবির গল্পে তেমন গল্পের আভাস না পেলেও সময় পেরিয়ে যখন ছবির গল্প সামনে এগুতে থাকলো দর্শকরা বুঝতে পারছিল না এরপর কী হবে। শেষের দিকের ৩০ মিনিট দর্শক নতুন কিছুর আভাস পেলো। একে একে গল্পের টুইস্ট দেখা মিলছিল। শেষ পর্যন্ত না দেখলে দর্শক অনেক কিছুই মিস করবেন। এদিকে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অন্যান্য হলগুলোতেও দর্শকদের রয়েছে উপচে পড়া ভিড়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর মধুমিতা হলের দুপুরের শো ছিল দর্শকপূর্ণ। মধুমিতা হলে দেখতে আসা এক দর্শক জানান, ঈদে শাকিবের ছবি মানেই নতুন কিছু। সুপার হিরোর ট্রেলার দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। ছবিটা দেখলাম অনেক দর্শকের ভিড়ে। মেকিং, গল্প, গান, লোকেশন ভালো লেগেছে। এদিক দিয়ে ছবিটি অন্যগুলার চেয়ে এগিয়ে। এদিকে খুলনার শঙ্খচিল হলে দেখতে আসা এক দর্শক জানান, আমার বাসার কাছে হল নেই তাই প্রায় ৬০/৭০ কি.মি পথ পাড়ি দিয়ে ছবিটা দেখতে এসেছি। শাকিব খানের বেস্ট ছবি এটা। হলিউড/বলিউড স্টাইলে এই প্রথম একক বাংলাদেশি সিনেমা দেখলাম। বুবলীর লুক, গেটআপ ও অনেক ভালো ছিল।