শিরোনাম

আবারও সিআইপি হলেন আরএফএল-এর আর এন পাল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩, সেপ্টেম্বর ২০১৮ | কোনো মন্তব্য নেই

রফতানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ডিউরেবল প্লাস্টিক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রথীন্দ্র নাথ পালকে (আর এন পাল) সিআইপি (রফতানি) কার্ড প্রদান করেছে সরকার। সোমবার রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে রফতানি বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে অবদানের জন্য আর এন পাল-এর হাতে সিআইপি কার্ড তুলে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ২০১৫ সালে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে তাকে এ কার্ড দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সিআইপি (রফতানি) নীতিমালা-২০১৩ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের জন্য ১৭৮ ব্যবসায়ীকে সিআইপি কার্ড দেয়া হয়। এর মধ্যে ১৯টি পণ্যখাতে ১৩৬ রফতানিকারক এবং পদাধিকারবলে ৪২ ব্যবসায়ী নেতাকে সিআইপি কার্ড দিয়ে সম্মানিত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, তিন বছর ধরে প্লাস্টিক খাতে সিআইপি কার্ড প্রদান করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে টানা দুই বছরই রফতানিতে বিশেষ অবদান রাখায় সিআইপি কার্ড ‘বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি হিসেবে এ সম্মান পেলেন রথীন্দ্র নাথ পাল। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আর এন পাল জাগো নিউজকে বলেন, আমি ইন্সপাইয়ার্ড। এবার দ্বিতীয়বারের মতো সিআইপি কার্ড পেলাম। কিন্তু ব্যক্তিগত ইম্প্রেশনের চেয়ে আমরা যেটা ভালো লাগে সেটা হচ্ছে- বাংলাদেশ ডমিনেটেড বাই এক্সপোর্ট অব গার্মেন্ট অ্যান্ড লেদার ইন্ডাস্ট্রি, এর বাইরে যে ডাইভারসিফাই সেক্টরগুলো আছে এর মধ্যে প্লাস্টিক এক্সপোর্ট করে ডিউরেবল প্লাস্টিকের প্রতিনিধি হিসেবে সিআইপি কার্ড পেয়েছি। যে কোনো সম্মাননাই মানুষের কাজের জন্য অনুপ্রেরণার, আমরা অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। শুধুমাত্র কার্ড পাওয়ার জন্যই কাজ করি না। বাংলাদেশকে একটি ভালো পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক্সপোর্টের ভূমিকা অনেক। সেক্ষেত্রে প্লাস্টিকসহ আরএফএল গ্রুপের অন্যান্য পণ্য রফতানি করে দেশকে এগিয়ে নিতে পারি। আমাদের যারা কর্মী রয়েছেন তাদের আরও বেশি কর্মে নিয়োগ করে যদি কোম্পানি ও দেশকে এগিয়ে নিতে পারি তাহলেই সেটা হবে সবচেয়ে গর্বের। সরকারি এক গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, সিআইপি হিসেবে নির্বাচিত ব্যবসায়ীরা সচিবালয়ে প্রবেশে পাস, গাড়ির স্টিকার, জাতীয় অনুষ্ঠান ও সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন। বিমান, সড়ক, রেলপথ ও জলপথে সরকারি যানবাহনে আসন সংরক্ষণে অগ্রাধিকার থাকবে। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান ও মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন। একইসঙ্গে সিআইপিদের জন্য ব্যবসা-সংক্রান্ত কাজে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে ‘লেটার অব ইনট্রোডাকশন’ ইস্যু করবে। সিআইপিরা বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। সিআইপি ব্যক্তিদের স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য প্রমুখ।