শিরোনাম

আগামী নির্বাচন অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান ও ২০ দলীয় জোটের অন্যতম নেতা জেবেল রহমান গানি। সোমবার গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি- বাংলাদেশ ন্যাপ’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গানি বলেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে জনমনে সংশয় ও আতঙ্ক রয়েছে। জনগণের এই আতঙ্ক দূর করতে প্রধান দায়িত্ব সরকারকেই পালন করতে হবে। অন্যথায় সরকার এর দায় থেকে মুক্তি পাবে না। সুতরাং জনগণের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর উচিত সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু পথ খুঁজে বের করা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ন্যাপ সব সময়ই সংলাপের মাধ্যমে চলমান রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছে। আমরা মনে করি, জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হলে এর মধ্য দিয়ে সমস্যা সমাধানের অনেক পথ বের হয়ে আসবে। সাধারণ সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ইভিএম বাস্তবায়নে এটি উপযুক্ত সময় নয়। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে জনআস্থা অর্জন করে এটি কার্যকর করা উচিত। নির্বাচন কমিশনের উচিত হবে নির্বাচন নিয়ে নতুন কোনো বিতর্ক সৃষ্টি না করে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা। সভায় গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং একটি নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিএনপি চেয়াপারসন, ২০ দলীয় জোট নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ গোলাম সারওয়ার খান, সাদ্দাম হোসেন, ফারহানা শাহীন গানি, ব্যারিস্টার মশিউর রহমান গানি, ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, মুনির এনায়েত মল্লিক, যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, মো. নুরুল আমান চৌধুরী, আতিকুর রহমান, এহসানুক হক জসিম, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহসান হাবিব খাজা, মো. শহীদুননবী ডাবলু, মো. কামাল ভূঁইয়া, মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, অধ্যাপিকা শিউলী সুলতানা প্রমুখ।